দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, থানার এসআই মনির হোসেন রোববার (৭ জুন) রাতে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আল হাসান তন্ময়, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি রানা মোল্লা, কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বপ্নিল হাসান কাজল, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন, জিনজিরা ইউনিয়ন যুবলীগের প্রচার সম্পাদক সাইমন উদ্দিন, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ামিন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য হাবিবুর রহমান, বাস্তা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, রিয়াদ হোসেন শাওন, কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলু রহমান, শুভাঢ্যা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য গিয়াস উদ্দিন মাসুদ, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাওন হোসেন এবং তেঘরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৭ জুন ছয় দফা দিবস উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে আসামিরা কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় সমবেত হন। এ সময় তারা নাশকতার পরিকল্পনা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকে অংশ নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১০টি বাঁশের লাঠি ও ২০টি ভাঙা ইটের টুকরা জব্দ করা হয়। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য আসামিদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলম বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন