কেরানীগঞ্জে অস্বাভাবিক কম দামে পশুর হাটের ইজারা সম্পন্ন, বিপুল রাজস্ব হারালো সরকার
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার কেরানীগঞ্জে আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ৯টি পশুর হাটের মধ্যে ৫টির ইজারা সম্পন্ন হয়েছে। তবে কয়েকটি হাট অস্বাভাবিক কম দামে ইজারা হওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারিয়েছে বলে আলোচনা চলছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, হাসরাবাদ হাটে ৩টি দরপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ লাখ ১০ হাজার টাকায় হাটটির ইজারা পান হাজী মোঃ সেলিম। অথচ গত বছর একই হাটের ইজারা হয়েছিল ৬১ লাখ টাকায়।
আগানগর আমবাগিচা বালুর মাঠ পশুর হাটের ইজারা সর্বোচ্চ ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকায় পান হাজী আনোয়ার হোসেন। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা কম।
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ঐতিহ্যবাহী জিনজিরা পশুর হাট। মাত্র ৭ লাখ টাকায় হাটটির ইজারা পান মোঃ মোজাদ্দেদ আলী বাবু। যেখানে গত বছর একই হাটের ইজারা মূল্য ছিল ১৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। অস্বাভাবিক কম দামে ইজারা হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এছাড়া কেরানীগঞ্জ মডেল থানার নতুন সোনাকান্দা গবাদিপশুর হাট ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ইজারা পান শাহাবুদ্দিন মেম্বার। গতবছর হাটটির ইজারা ছিলো ৬ লাখ ৫০ হাজার। অপরদিকে গত বছর ব্যাপক আলোচিত মিলিনিয়াম সিটি পশুর হাটের ইজারা পান হাজী সাইফুল ইসলাম ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকায়। অথচ গত বছর হাটটির ইজারা মূল্য ছিল প্রায় ৭২ লাখ টাকা।
কাঙ্ক্ষিত দরপত্র না পাওয়ায় রাজাবাড়ী বালুর মাঠ, রসুলপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন বালুর মাঠ, খাড়াকান্দী মাদ্রাসা হাট ও বাঘাশুর হাটের ইজারা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক জানান, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে হাটগুলোর ইজারা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। যেসব হাটে কাঙ্ক্ষিত দরপত্র পাওয়া যায়নি, সেগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন