নিহত ফাতেমা চুনকুটিয়া পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা হাসেম আলীর মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় ফাতেমা মসজিদের পাশের সড়কে অবস্থান করছিল। এ সময় একটি অটোরিকশা বেপরোয়া গতিতে এসে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয় এবং নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা রিমা বেগম বলেন, এলাকায় অটোরিকশাগুলো প্রায়ই অতিরিক্ত গতিতে চলাচল করে। চালকরা অনেক সময় পথচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষা করেন। বেপরোয়া গতির কারণেই ফাতেমার মতো একটি নিষ্পাপ শিশুর প্রাণ ঝরে গেল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা চালককে আটক করার চেষ্টা করলেও তিনি অটোরিকশা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চুনকুটিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অটোরিকশার বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। তারা দ্রুত পালিয়ে যাওয়া চালককে গ্রেপ্তার এবং এলাকায় অটোরিকশার গতিনিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
মন্তব্য করুন