নিহতরা হলেন জামাল হোসেন (৪০), পিতা শামসুল হক হাওলাদার, বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এবং মো. মাহফুজ মোল্লা (৪০), বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায়। তারা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এনএইট এক্সপ্রেসওয়ের প্যাট্রোলিং টিম কাজ শেষে স্থান ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব-১৩-১১১১) দ্রুতগতিতে এসে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্যাট্রোলিং গাড়িকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই জামাল হোসেন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মাহফুজ মোল্লাসহ অন্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহফুজের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে একজন প্রকৌশলী, একজন চালক ও দুইজন শ্রমিক রয়েছেন। তাদের স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড ) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। পরে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
হাসাড়া হাইওয়ে থানার কর্মরত এক কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনাটি থানা পুলিশের সামনেই ঘটেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বাসচালক গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে ইউটিউব দেখছিলেন এবং হেডফোন ব্যবহার করছিলেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন আল রশিদ বলেন, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে বাসচালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন