সূত্র জানায়, অঙ্গসহযোগী সংগঠনগুলোর কমিটি নতুন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দলের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত জাতীয়তাবাদী যুবদল। নতুন কমিটির নেতৃত্বে কারা আসবেন তা নিয়ে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত চলছে জোর আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীরা সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যুবদলের শীর্ষ পদে আলোচনায় থাকা নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন, সহ সভাপতি রেজাউল করিম পল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাঈদ ইকবাল টিটো, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল, আকরামুল হাসান মিন্টু, মামুনুর রশীদ মামুন, কামরুজ্জামান জুয়েল, ফজলুর রহমান খোকন, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, খন্দকার এনামুল হক এনাম, রবিউল ইসলাম নয়ন, শরীফ উদ্দিন জুয়েল ও সাজ্জাদুল মিরাজ।
এদের মধ্যে রেজাউল করিম পলকে ঘিরে তৃণমূল পর্যায়ে আলাদা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা ছাত্ররাজনীতি থেকে ধারাবাহিকভাবে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। কেরানীগঞ্জ থানা ছাত্রদলের সভাপতি, ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি থেকে শুরু করে ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সর্বশেষ কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা তিন আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইলেও দলের নির্দেশে সেখান থেকে সরে দাঁড়ান পল। দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি এই আনুগত্যও তাকে নেতৃত্বের আলোচনায় এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কেরানীগঞ্জসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মী ও যুবসমাজের একটি বড় অংশ মনে করছে, অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় রেজাউল করিম পল যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন।
গুলশান কার্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে প্রার্থীদের বিগত দীর্ঘ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে যাচাই বাছাই চলছে। এই প্রক্রিয়ায় যারা এগিয়ে থাকবেন তারাই জায়গা পাবেন সংগঠনের শীর্ষ পদে।
মন্তব্য করুন