এম এ মতিন মেম্বার হতে সময়ই বাধা মনে করেন কর্মী সমর্থকরা

344

শামসুল ইসলাম সনেটঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঢাকার কেরানীগঞ্জের রোহিতপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে আবারও প্রার্থী হয়েছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত আওয়ামীলীগের সৈনিক, নৈতিক গুণসম্পন্ন দক্ষ সাংগঠনিক শক্তির অধিকারী, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রাণ, বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, দুরন্ত সাহসী মুজিব সৈনিক, রোহিতপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগের সদস্য এম এ মতিন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক চেতনা ধারণকারী জনকল্যাণকামী হিসেবে রোহিতপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের জনদরদী ও জনবান্ধব শ্রেষ্ঠ মেম্বার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তিনি মেম্বার থাকাকালিন একটি টাকাও আত্মসাৎ বা দুর্নীতি করেছেন বলে কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।।
তিনি মেম্বার থাকাকালীন দূর্যোগের সময়ে সবার দিকে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সমানভাবে বিচার আচারে সুষ্ঠ সমাধানের মাধ্যমে সবাইকে ন্যাজ্জ বিচার পাইয়ে দেওয়াটাই তাঁর আনন্দ। সরকারের প্রতিটি ত্রাণ অনুদান নিজে উপস্থিত থেকে জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করেছেন। গবীব অসহায় মানুষ তার কাছে সাহায্যে চেয়ে কখনো বঞ্চিত হয়নি।

তিনি ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে আদর্শের সৈনিক,যিনি অন্যায়ের কাছে কখনো নিজেকে বিক্রি করেনি, তিনি রোহিতপুর তথা কেরানীগঞ্জ আওয়ামী লীগে কোনো অনুপ্রবেশ কারী হাইব্রীড নন,তার রয়েছে সু-দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। তিনি হলেন সবার পরিচিত ও প্রিয় মুখ এম এ মতিন।

রোহিতপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার হিসেবে শ্রদ্ধাভাজন সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে তার রয়েছে অত্যান্ত সু নিবিড় সম্পর্ক । তিনি সকলকে নিয়েই নির্বাচনী প্রচারণায় রয়েছেন, তিনি যেখানে যাচ্ছেন বিপুল সাড়া পাচ্ছেন, নিজ বংশ ছাড়াও ওয়ার্ডে প্রচুর আত্মীয় স্বজন থাকায় রয়েছে নিজস্ব ভোট ব্যাংকও। সকলের ধারণা আগামী ২৮ নভেম্বর নির্বাচনে তিনিই নির্বাচিত হবে। মেম্বার হিসেবে তাকেই বহাল চায় আ.লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ ওয়ার্ডের প্রতিটি ভোটার। ২৮ নভেম্বর তিনি বিপুল ভোটে জযী হবেন বলে সকলের ধারণা। এম এ মতিন পুনরায় মেম্বার হতে সময়ই এখন বাধা মনে করছেন তার কর্মী সমর্থকরা।

এ প্রসঙ্গে এম এ মতিন জানান, আমি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সাথে ছিলাম। তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি ভাললাগা আর ভালবাসা থেকেই আমি রাজনীতির সাথে যুক্ত হই। আর তখন আমি তরুণ যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। কর্মদক্ষতা আর রাজনীতিতে একনিষ্ঠতার দরুণ ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হই। বিগত দিনে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছি।এছাড়াও আ.লীগের জন্য নিবেদিত হয়ে প্রতিটি দলীয় অনুষ্ঠান নিজ অর্থে সম্পন্ন করেছি। তিনি আরো বলেন, গত নির্বাচনে ৮নং ওয়ার্ডের জনগনের ভালবাসা নিয়ে বিপুল ভোটে মেম্বার পদে নির্বাচিত হই।

সেই থেকেই রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়নে কাজ করে আসতেছি। আমার কাছে যে কোন মানুষ সমস্যা নিয়ে আসলে আমি দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করি। আমি মেম্বার থাকাকালিন ১টি টাকার দুর্ণীতি করেছি বলে কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। নির্বাচনে নেতাকর্মী ও জনগনের আগ্রহে এবং তাদের ভালবাসায়ই পুনঃরায় প্রার্থী হয়েছেন।

গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাশা অনুসারে আ.লীগের একজন কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিজেকে উৎসর্গ করেছি এতেই আমার শান্তনা। আমি যতকাল বেঁচে থাকব আমার শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আমি আ.লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাব। জনগণ আমাকে উপযুক্ত মনে করলে অবস্যই আমাকে মোরগ মার্কা ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে, আমার প্রতিপক্ষ আমার চেয়ে যোগ্য হলে তাকে ভোট দিলে আমার কোন আপত্তি নাই। তবে ভোটটা যেনো হয় একজন সৎ মানুষের জন্য।